🔴🔴 "হিন্দু ভাইদের দাওয়াত দেওয়ার পথ ও পদ্ধতি" ৯৯ পৃষ্ঠায় সনাতন ধর্মের সাকার পূজায় বিশ্বাসকে ধুলিস্যাৎ করতে উপরের লেখাগুলো দেওয়া হয়েছে । কিন্তু যাহা সত্য তাকে কি করে ধুলিস্যাৎ করা সম্ভব ??
🔶 সনাতন ধর্ম চিরন্তন সত্য । ইহা থেমে নেই, সময়ের সাথে সমান তালে চলছে । বর্তমানে চলছে কলি যুগ কিন্তু সেই কলি যুগ কেমন হবে, মানুষের কেমন বৈশিষ্ট্য হবে সকলই শাস্ত্রে পূর্ব থেকে বর্ণিত ।
উপনিষদ হচ্ছে বেদের জ্ঞান কাণ্ড । উপনিষদের উক্ত দুই মন্ত্রের সম্পূর্ণ অর্থ যাহা আমাদের শাস্ত্রে রয়েছে সেটা পূর্বে দেখে নিই -
" তাঁর কার্য এবং অন্তঃকরণ নেই । তদপেক্ষা বৃহৎ এবং তাঁর সমানও দেখা যায় না । শোনা যায় এই পরমেশ্বরের জ্ঞান, বল ও ক্রিয়ারুপ স্বাভাবিক , দিব্য শক্তি নানা প্রকার। " (মূল অনুবাদ যাচাই করা হয়েছে সনাতন ধর্মের সর্বজন মান্য উপনিষদের ভাষ্য মিলিয়ে)
ব্যাখ্যা - ব্রহ্ম বা পরমাত্মার জীবের ন্যায় কার্য এবং করণ ও শরীর এবং ইন্দ্রিয় নেই; অর্থাৎ তাঁর মধ্যে দেহ, ইন্দ্রিয় ইত্যাদির ভেদ নেই। তৃতীয় অধ্যায়ে একথা বিস্তারপূর্বক বলা হয়েছে যে, তিনি ইন্দ্রিয় ব্যতীত সমস্ত ইন্দ্রিয়ের কার্য সম্পাদন করে থাকেন। তদপেক্ষা বৃহৎ তো দূরের কথা তাঁর সমকক্ষও কেউ নেই। তিনি অদ্বিতীয়। পরমেশ্বরের জ্ঞান, বল এবং ক্রিয়ারূপ স্বরূপভূত দিব্যশক্তি নানা প্রকারের—একথা শোনা যায়৷ (ব্যাখ্যা নেওয়া হয়েছে গীতাপ্রেস এর উপনিষদ থেকে)
(শ্বে: উ: ৬/৮)
★ ইন্দ্রিয় নেই দ্বারা বুঝানো হয়েছে আমাদের যেমন ইন্দ্রিয়, বশীভূত করে চালিত করতে পারে তেমনি ঈশ্বরকে পারে না । সকল ইন্দ্রিয় ঈশ্বর হতেই সৃষ্টি বিধায় ঈশ্বরের অধীন ।
শরীর নেই তার মানে এই নয় যে শরীর ধারণ করতে পারেন না ( পরে আরো ভালো করে বুঝবেন ) । তাছাড়া শেষ লাইনে রয়েছে " ক্রিয়ারূপ স্বরূপভূত দিব্যশক্তি নানা প্রকারের" অর্থাৎ, উনার ক্রিয়া করার মত স্বরূপশক্তি ও দিব্য শক্তি অনেক প্রকারের ।
" জগতে এই পরমাত্মার স্বামী ( অধিপতি ) নেই, তাঁর শাসক নেই এবং চিহ্নবিশেষও নেই ( চিহ্ন দ্বারা বুঝা যায় না বা নির্দিষ্ট কোনো চিহ্ন দ্বারা আবদ্ধ করা যায় না )। তিনি সকলের পরম কারণ, সমস্ত অধিষ্ঠাত্রীগণেরও অধিষ্ঠাতা । উনার কোনো জনক নেই । " (মূল অনুবাদ যাচাই করা হয়েছে সনাতন ধর্মের সর্বজন মান্য উপনিষদের ভাষ্য মিলিয়ে)
ব্যাখ্যা - অখিল বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে পরব্রহ্ম পরমাত্মার স্বামী কেউ নেই। তিনি সর্বান্তর্যামী, সকলের স্বামী। সকলে তাঁর দাস, সেবক। তিনি পরম প্রশাসক। তাঁর উপর প্রভাব বিস্তার করার ক্ষমতা অন্যের নেই। তাঁরই শাসনে সকলে চলে। সকলে তাঁর আজ্ঞাবহ। তাঁর নিয়ন্ত্রণে সব নিয়ন্ত্রিত। পরমেশ্বরের কোনো বিশেষ চিহ্ন নেই। তিনি সর্বব্যাপক, বিভু, নিরাকার, পরিপূর্ণ, অখিল বিশ্বের একমাত্র কারণ, এমনকি কারণেরও কারণ এবং সকল অন্তঃকরণ ও ইন্দ্রিয়গণের অধিষ্ঠাতা দেবতাগণেরও অধিপতি, সুশাসক। তাঁকে কোনো চিহ্ন দ্বারা বোঝা যায় না। ওই পরব্রহ্ম পরমাত্মার কোনো জনক অর্থাৎ জন্মদাতা পিতা অথবা কোনো অধিপতি নেই। পরব্রহ্ম পরমাত্মা সর্বতন্ত্রস্বতন্ত্র, ষড্ভাববিকাররহিত, সনাতন এবং সর্বশক্তিমান । (গীতাপ্রেস)
(শ্বে: উ: ৬/৯)
★ এখানে প্রথমে বলা হয়েছে কোনো চিহ্ন নেই তারপরে বলা হয়েছে চিহ্ন দ্বারা বোঝা যায় না - এখানে বুঝানো হচ্ছে যে, ঈশ্বরকে কোনো প্রতীকের দ্বারা সীমাবদ্ধ করা যায় না, উনাকে শুধু একরকম ভাবা যায় না কারণ উনি সর্বব্যাপী । আমরা শাস্ত্র অনুযায়ী ঈশ্বরের নানা রূপের পূজা করি কিন্তু ঐ রূপেই শুধু ঈশ্বর সীমাবদ্ধ নন । অধিষ্ঠাতা দেবতার কথাও উল্লেখ আছে তাই সাকার পূজা এই ক্ষেত্রেও সঠিক হিসেবেই দেখা যাচ্ছে ।
♦️ মা দুর্গার কাঠামো নামক আলাদা কোনো শাস্ত্র নেই তাই এ অংশটুকু নিয়ে আমরা আলোচনার প্রয়োজন দেখছি না !
♦️♦️ পোষ্টের মূল বিষয়ের উপর প্রশ্ন ও উত্তর :
প্রশ্ন: ঈশ্বর কি সাকার নাকী নিরাকার ?
উত্তর: ঈশ্বর স্বাভাবিক ভাবে নিরাকার কারণ শক্তিকে আমরা সাধারণ ভাবে দেখতে পারি না । শক্তিকে যেমন দেখতে পারি না তেমনি রূপান্তর করা হলে ঠিকই দেখা যায় !
আরেকটু ভালো করে বুঝিয়ে দিচ্ছি - বায়ু আমরা দেখতে পাই না কিন্তু ঘনীভূত হলে ঠিকই দেখতে পাই । তেমনি ঈশ্বরের ইচ্ছা হলে সাকার হতে পারেন । সাকার যদি উনি নাই হতে পারেন তবে এটা ঈশ্বরের অক্ষমতা হিসেবে প্রকাশ পাবে আর সর্বশক্তিমান বলা যাবে না ।
🔸ঈশ্বরের সাকারত্ব নিয়ে শাস্ত্র প্রমাণ দেখা যাক -
★ইন্দ্রং মিত্রং বরুণমগ্নিমাহুরথো দিব্যঃ স সুপর্ণো গরুত্মান্ ।
একং সদ্ বিপ্রা বহুধা বদন্ত্যগ্নিং যমং মাতরিশ্বানমাহুঃ ।।
( ঋগ্বেদ- শাকল শাখা- ১/১৬৪/৪৬ )
সরলার্থ - তাঁরা ( যারা বুদ্ধিমান ) এঁকে ( ঈশ্বরকে ) বলেন ইন্দ্র, মিত্র, বরুণ, অগ্নি এবং তিনিই স্বর্গীয় শোভনপক্ষযুক্ত গরুত্মান (সূর্য)। একই অস্তিত্বকে কবিগণ নানাভাবে বর্ণনা করেন, বলেন (তিনি) অগ্নি, যম এবং মাতরিশ্বন।
★দিবো বা বিষ্ণ উত বা পৃথিব্যা মহো বা বিষ্ণু উয়োরন্তরিক্ষাৎ।
উভা হি হস্তা বসুনা পৃণস্বা প্রযচ্ছ দক্ষিণাদোত সব্যাদ্বিষ্ণবে ত্বা ।।
(শুক্ল যজুর্বেদ - মাধ্যন্দিন শাখা - ৫/১৯)
অনুবাদঃ হে বিষ্ণু! আপনি আমাদের স্বর্গ থেকে, বিশাললোক থেকে সম্পত্তি প্রদান করুন । আপনি আমাদেরকে পৃথিবীলোকে ধন সম্পত্তিতে পূর্ণ করুন । হে বিষ্ণু! আপনি আপনার দুহাতে ধন-সম্পত্তি দিয়ে আমাদের পূর্ণ করুন অথবা, হে বিষ্ণু! আপনি ডান বা বাম হাতে আমাদের দান করে আমাদের সম্পূর্ণ করুন । আপনার সন্তুষ্টির জন্য আমরা আহুতি প্রদান করি।
★ক্বস্য তে রুদ্র মূলয়াকুর্হস্তো যো অস্তি ভেষজো জলাষঃ।
অপভর্তা রপসো দৈব্যস্যাভী নু মা বৃষভ চক্ষমীথাঃ ।।
(ঋগ্বেদ - শাকল শাখা - ২/৩৩/৭)
অনুবাদঃ রুদ্র, কোথায় আপনার সেই কল্যাণপ্রদ হস্ত, যা ঔষধের ন্যায় স্বস্তিকর, যা দৈব প্রেরিত দুর্দশার নিবারণ করে? হে কাম্যফল প্রদায়ক, এখন যেন আপনি আমার প্রতি সদয় হতে পারেন ।
★ সহস্ৰশীর্ষা পুরুষঃ সহস্ৰাক্ষঃ সহস্ৰপাত্।
স ভূমিং বিশ্বতো বৃত্বাত্যতিষ্ঠদ্দশাঙ্গুলম্।।
(ঋগ্বেদ- শাকল শাখা- ১০/৯০/১)
অনুবাদঃ বিশাল পুরুষের (ঈশ্বরের) সহস্র মস্তক, সহস্র চক্ষু ও সহস্র চরণ রয়েছে। তিনি পৃথিবীকে চারদিক থেকে ঘিরে রেখেছেন এবং দশ অঙ্গুলি পরিমাণ অধিক স্থিত হয়ে আছেন । ( মানে অপরিমেয় হয়ে পরিমেয় রূপ ধারণ করেন )
★একস্তথা সর্বভূতান্তরাত্মা রূপং রূপং প্রতিরূপো বহিশ্চ৷ (কৃষ্ণ যজুর্বেদোক্ত কঠ: উ: - ২/২/৯)
( মন্ত্রের সরলার্থ বড় হওয়ায় শুধুমাত্র মন্ত্রের দ্বিতীয় লাইন এবং দ্বিতীয় লাইনের সরলার্থ দিচ্ছি )
সরলার্থ - সকল জীবের মধ্যে বিরাজমান পরমব্রহ্ম একক হওয়া সত্ত্বেও ভিন্ন ভিন্ন রূপে প্রকাশিত হন ।
★ বেদ মন্ত্রগুলোর ঋষি ও দেবতা রয়েছে । একেক মন্ত্রের একেক দেবতা মূলত ঈশ্বরের একেকটা নাম ও রূপ । এখন বৈদিক অভিধান নিরুক্ত দেখে নেই -
পুরুষবিধাঃ স্যুরিত্যেকম্। (নিরুক্ত ৭/৬/২)
[ দেবতাঃ] (দেবতাগণ) পুরুবিধাঃ স্যু (মানুষের ন্যায় হইতে পারেন) ইতি একম্ [ দর্শন] (ইহা এক মত)।
→এক মতে দেবতাগণ মানুষেরই ন্যায় - মানুষেরই ন্যায় বিগ্রহধারী বা আকারবিশিষ্ট; মানুষের রূপের ন্যায়ই তাঁহাদের রূপ।
★হে কুন্তী নন্দন ! যে কোনো ভক্ত (মানুষ) শ্রদ্ধাযুক্ত হয়ে অন্য দেবতাদের পূজা করলেও তিনি প্রকৃতপক্ষে আমারই পূজা করেন কিন্তু তা করেন অবিধিপূর্বক অর্থাৎ দেবতাগণকে আমার থেকে পৃথক মনে করেন।
(শ্রীমদ্ভগবদগীতা - ৯/২৩)
★কারণ আমিই সমস্ত যজ্ঞের ভোক্তা এবং প্রভু, কিন্তু এরা তত্ত্বগতভাবে আমাকে জানে না, তাতেই তাদের পতন হয় ৷
(শ্রীমদ্ভগবদগীতা - ৯/২৪)
★★ এখানে শেষের দুটো অনুবাদ পড়লে বুঝা যায় যারা সাকার রূপকে ঈশ্বর থেকে আলাদা মনে করে তাদেরই পতন হয় ।
♦️ অনেকের মনে এখনও কিছু প্রশ্ন থাকতে পারে ! বেদ, গীতা এবং অন্যান্য শাস্ত্র এর কিছু শ্লোক অনুযায়ী তো শুধু ঈশ্বরের নিরাকার রূপের কথাই বলা হয়েছে আর উপরে সাকারত্ব প্রমাণ করা হয়েছে - তাহলে কি স্ববিরোধ তৈরি হচ্ছে ??
এটার উত্তরের জন্য দেখে নিই মনুসংহিতা নামক হিন্দু আইন শাস্ত্রের একটি শ্লোক -
শ্রুতিদ্বৈধং তু যত্র স্যাত্তত্র ধর্মাবুভৌ স্মৃতৌ ।
উভাৰপি হি তৌ ধর্মৌ সম্যগুভৌ মনীষিভিঃ ৷৷
অনুবাদ : যেখানে দুটি শ্রুতি বচনের মধ্যে পরস্পর-বিরুদ্ধ উপদেশ আছে, সেরকম স্থানে দুটিকেই ধর্ম ব’লে গ্রহণ করতে হবে অর্থাৎ দুটিরই বিকল্পিতভাবে অনুষ্ঠান করতে হবে। [যেমন, কোনও একটি শ্রুতি বাক্যে যে বিষয়টিকে এটিই 'ধর্ম' এইরকম উপদেশ দেওয়া হয়েছে, তাকেই আবার অন্য একটি শ্রুতি-বাক্যে 'অধর্ম' বলে উপদেশ দেওয়া হয়েছে। সেক্ষেত্রে দুটি পদার্থকেই ধর্ম এবং অধর্ম বিকল্পিতভাবে অনুষ্ঠান ও অননুষ্ঠান করতে হবে। কারণ, বিধায়কতা- বিষয়ে ঐ দুটি শ্রুতি-বাকোরই বলবত্তা সমান। ফলে, এক্ষেত্রে এই শ্রুতিটি প্রমাণ, আবার এটি প্রমাণ নয়- এরকম ভেদনিরূপণ করা সম্ভব নয়। এ কারণে সমানবিষয়ক তূল্যবল দুটি শ্রুতির মধ্যে বিরোধ উপস্থিত হ'লে অনুষ্ঠেয় বিষয়টির বিকল্প হবে]। কারণ, মণীষিগণ বলে গিয়েছেন, ঐ দুটিই ধর্ম এবং দুটিই দোষহীন৷ ( মনু সংহিতা ২/১৪ )
★ শ্লোকের অনুবাদ ভালো করে পড়লেই বুঝবেন যে শ্রুতির সাথে শ্রুতির বিরোধ হলে দুটোই মান্য । তবে এক্ষেত্রে বিরোধ যদিও হচ্ছে না তবুও যদি কারো বিরোধ মনে হয় তবে দুটোই সত্য হিসেবে মানতে হবে ।
♦️ সনাতন ধর্মের কিছু স্বার্থান্বেষী লোক ও শাস্ত্র নিয়ে ব্যবসার উদ্দেশ্যে আমাদের প্রধান ধর্মগ্রন্থ বেদ এর মন্ত্র কেটে কেটে নিজের নিজের স্বার্থ উদ্ধারে যাচ্ছেতাই অনুবাদ করছে আর অপপ্রচার করছে । আমার কাছে প্রায়ই তাদের কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন করা হয় তাই আজকেই ওদের একই বিষয়ে একটি দাবির খণ্ডন করছি ।
(১)
ন তস্য প্রতিমাঽস্তি যস্য নাম মহদ্যশঃ। (যজুর্বেদ ৩২.৩)
অনুবাদ : পূজ্য বৃহৎ কীর্তিযুক্ত পরমাত্মার কোনো প্রতিমা নেই ।
★ সর্বজন মান্য আচার্য্যদের অনুবাদ ও অমরকোশ নামক সংস্কৃত ভাষার উপর অভিধান অনুযায়ী "প্রতিমা" অর্থ হচ্ছে - "তুলনা" । এখানে মন্ত্রটিও কেটে দেওয়া হয়েছে তাই আমাদের কাছে কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় কারণ বেদ মন্ত্র কেটে কেটে প্রচার (করলে কারণ উল্লেখ করতে হবে) করার অধিকার কোনো শাস্ত্র দেয় নি !
★ ওদেরই একইরকম কেটে প্রচার আরেকটি মন্ত্র দ্বারাই ওদের মত খণ্ডন করা যায় -
(২)
বেনস্তৎপশ্যন্নিহিতং গুহা সদ্যত্র বিশ্বং ভবত্যেকনীডম্। (যজুর্বেদ - ৩২.৮)
অনুবাদ : যে বিদ্বান সর্বভূতে ব্রহ্ম আছেন উপলব্ধি করেন, তার কাছে সমগ্র বিশ্বই নীড়ের ন্যায় হয়ে যায়।
[১ ও ২ নাম্বার দেওয়া যজুর্বেদ এর উপরের দুটি বেদ মন্ত্রের খণ্ডিত অংশ ও অনুবাদ অগ্নিবীর হতে বের হওয়া বেদামৃতবিন্দু বই থেকে নেওয়া হয়েছে; তারা যেহেতু বেদের শাখা এবং কৃষ্ণ যজুর্বেদ মান্য করে না সেহেতু তাদের মতো করেই রেফারেন্স তুলে ধরা হলো ।]
এখানে রয়েছে যে সর্বভূতে ব্রহ্ম আছে তাহলে মূর্তিতে কেনো থাকবে না ? আসলে কুযুক্তির প্রয়োগ করার কারণে এনারা অন্ধ বিশ্বাসী হয়ে গিয়েছেন আর উনাদের এসব কুযুক্তি মূলক প্রচারের কারণেই বিধর্মীরা আমাদের দিকে আঙুল উঠাতে পারছে ।
আমাদের সাথেই থাকুন ! সত্যের সন্ধান করুন !
জয় সনাতন 🙏
✍️ সাত্যকি
Admin at - জ্ঞানচর্চা (sss)
Senior researcher at - Research Committee of Santan Scripture (of sss)
।ॐ।সত্যের সন্ধানে সনাতন।ॐ।





খুবই ভালো লাগলো 🙏 নমস্কার
উত্তরমুছুন