মুখোশের আড়ালে গান্ধীজি

                    মুখোশের আড়ালে গান্ধীজি


অক্টোবরের দুই তারিখ গান্ধী (মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী) জয়ন্তী পালিত হয় ! গান্ধীজীকে আমরা কম বেশি সবাই চিনি । উনাকে সম্মান জানাতে নামের পূর্বে মহাত্মাও ব্যবহার করে থাকি ; কিন্তু উচিৎ ছিল পাপাত্মা ব্যবহার করা !


কারণ উনার শান্তিপূর্ণ বার্তা ছিলো শুধু নিরীহ হিন্দুদের উপর । যখন বিধর্মী সন্ত্রাসীরা আমাদের উপর আক্রমণ করতো তখন গান্ধীজী বাঁচাতে আসতেন না 😪! কিন্তু সনাতনী হিন্দুরা যখন নিজেদের ঘর - বাড়ি , জমি - জমা ও সম্মান রক্ষা করতে অস্ত্র ধারণ করতো তখন গান্ধীজী বলতেন , ' এক গালে মারলে আর এক গাল বাড়িয়ে দাও ' 😅

মানে কেউ আপনাকে মেরে চলে গেলেও আপনি কিছু বলতে পারবেন না - এটাই ছিলো গান্ধীর নীতি এবং এই নীতি শুধু আমাদের সংখ্যালঘু হিন্দুদের জন্য — কত সুন্দর আইন তাই না?


এদিকে বাড়ির কর্তার চোখের সামনে নিজের স্ত্রী , মা - বোন বেইজ্জতি হচ্ছে আর অন্যদিকে গান্ধীজী তাদেরকে অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে না করছেন ; নিজের ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও গান্ধীজী বিধর্মীদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেন নি, উল্টে হিন্দুদেরকে প্রতিবাদ করতে বাধা দিয়েছেন 😪


কলকাতা দাঙ্গা ও নোয়াখালী দাঙ্গার সময় শান্তিপ্রিয় হিন্দুদের উপর যখন বিধর্মী পশুরা আক্রমণ করে এবং মা-বোনদের ইজ্জত লোট করা সহ সব ধরনের অত্যাচার করে তখন গান্ধীজী চুপ ছিলেন ; যদিও বিধর্মী হায়নাদের লিডারের সাথে গান্ধীজীর অনেক ভালো সম্পর্ক ছিলো তবুও তিনি হিন্দুদের রক্ষা করতে আসেন নি উল্টো নোয়াখালী দাঙ্গার শুরুর দিকে নিজের নির্বাচনী প্রচারণা করতে নোয়াখালী গিয়েছিলেন 🙂!


গান্ধীজী বলেছিলেন এই ভারতবর্ষ ভাগ হলে উনার শরীরের উপর দিয়ে ভাগ হবে ; যদিও ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষ ঠিকই ভাগ হয়ে হিন্দুস্থান ( ভারত ) ও পাকিস্তান নামে দুটি আলাদা রাষ্ট্র তৈরি হয় কিন্তু গান্ধীজীর শরীর বিভক্ত হয় নি ।

👉গান্ধীজী যতদিন শাসন করেছেন ততদিন উনার ক্ষমতা নিয়ে বিধর্মীরা আমাদের উপর অত্যাচার করেছে !

👉উনার এক পক্ষকে শান্তিপূর্ণ রাখার অপপ্রচেষ্টার জন্যই নেতাজি সুভাষচন্দ্র বোস গান্ধীজীকে ত্যাগ করেছিলেন ।


এখন আপনারাই বিচার করুন উনাকে কি করে মহাত্মা বলা যায়? 

 

<< গান্ধীজির আরো অনেক কুকীর্তি রয়েছে , পরবর্তীতে উনার সম্পর্কে আরো লেখা হবে >>

 →→ভুল-ত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন 🙏🏻

জয় শ্রী রাম 🙏🏻🙏🏻

©️ সত্যের সন্ধানে সনাতন 
✍️ সাত্যকি 

Admin at - জ্ঞানচর্চা (sss) 

Senior researcher at - Research Committee of Santan Scripture (of sss)


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন



ধর্মীয় বাণী/উপদেশ

"দেবী! তুমি স্বাহা, তুমি স্বধা এবং তুমিই বষটকার। স্বরও তোমারই স্বরূপ। তুমিই জীবনদায়িনী সুধা। নিত্য অক্ষর প্রণবের অকার, উকার, মকার-এই তিনমাত্রারূপে তুমিই স্থিত, আবার এই তিন মাত্রা ছাড়া বিন্দুরূপা যে নিত্য অর্দ্ধমাত্রা-যাকে বিশেষরূপে আলাদাভাবে উচ্চারণ করা যায় না, তাও তুমিই। " (শ্রী শ্রী চন্ডীঃ ১/৭৩-৭৪)